• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

ডিমলায় জাল দলিল, নকল সিল ও স্ট্যাম্পসহ দুই প্রতারক গ্রেফতার

ডিমলা প্রতিনিধি।। নীলফামারীর ডিমলায় বাংলাদেশসহ, ভারত ও পাকিস্তান আমলের শতাধিক সরকারি স্ট্যাম্প ও মূল্যবান দলিল জাল করার উপকরণসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার সাব-রেজিস্ট্রার ও ভূমি অফিসের প্রায় দুই শতাধিক সিল, সিলমোহর ও জাল সই সম্বলিত সিলসহ দলিল জালিয়াত চক্রের দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিমলা থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ডিমলা সদর ইউনিয়নের মাজেদুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম ভুট্টু।
পুলিশ জানায়, শত বছরের পুরনো ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সরকারের পঁচিশ পয়সা থেকে শুরু করে বর্তমান বিভিন্ন মূল্যমানের দলিল তৈরির স্ট্যাম্প সবই আছে তাদের কাছে। পুলিশের ভাষায় মাজেদ ও ভুট্রু ভয়ঙ্কর প্রতারক। যারা এসব স্ট্যাম্প ব্যবহারে ভুয়া দলিল তৈরি করে নিরীহ মানুষ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ।
বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) দিবাগত রাত তিনটায় ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লাইছুর রহমানের দিকনির্দেশনায় বিশেষ অভিযানে উপজেলার সর্দারহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ডিমলা থানার পরিদর্শক বিশ্বদেব রায় এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সোর্সের মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার সর্দারহাট গ্রামে প্রথমে মাজেদকে গ্রেপ্তার করে আলামত উদ্ধার করা হয়। তার দেয়া তথ্যমতে ভুট্টুকে উত্তর তিতপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিশ্বদেব রায় আরও বলেন, এরা দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্ট্যাম্প থেকে বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করে লেখা ও চিহ্ন তুলে ফেলে জাল দলিল তৈরি করে নিরীহ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছিলেন। অব্যবহৃত স্ট্যাম্প অথবা বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহারের মাধ্যমে লিখিত দলিলের লেখা বা চিহ্ন তুলে ফেলে টাকার বিনিময়ে তারা চাহিদামতো বিভিন্ন কোম্পানি বা বিভিন্ন ভূমি জবরদখলকারী চক্রের কাছে বিক্রি করেছে বলে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লাইছুর রহমান জানান, ভুট্রু পুরোনো দলিল সংগ্রহ করে দলিলের লেখা বা চিহ্ন কেমিক্যাল দিয়ে তুলে ফেলার কাজে বিশেষ পারদর্শী মাজেদের কাছে দিতেন এবং তারা মাজেদের বাড়িতে জাল দলিল তৈরি করতেন। তারা একটি জাল দলিল সিন্ডিকেটের যোগসাজশে জমিসংক্রান্ত দেওয়ানি মামলাবাজদের পক্ষে তৈরিকৃত দলিল দিয়ে আদালতে মামলা মোকদ্দমা করে বলেও তারা স্বীকার করেছেন। তাদের কাছে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার ও গ্রেপ্তার অভিযান চলমান রয়েছে। আটককৃতদের শুক্রবার  বিকেলে নীলফামারী জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ